নিজস্ব প্রতিবেদক: পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট ২ এ আছেন অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ জহির। এই মহারাজ কিন্তু ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগী। হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর তার দোসর পুলিশলীগের বহু কর্মকর্তা পালিয়ে গেছেন বিদেশে। অনেকে আবার বিএনপি মনা অফিসারদের সাথে বন্ধুত্বের সুবাদে আর শেল্টারে আছেন ভালো পজিশনে। মাফিয়া ফ্যাসিস্টদের সহযোগিতায় চাকরি হারিয়ে বহু কর্মকর্তারা এখন বাড়িতে। এই ফ্যাসিস্টদের সাথে নিরপরাধ কিছু অফিসারদের বাড়ি পাঠানো হয়েছে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে যেমন আব্দুল্লাহ আরেফিন। কিন্তু ফ্যাসিস্টদের বহু কর্মকর্তা এখনো রয়ে গেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে, যেমন আব্দুল্লাহ জহির। এই জহির কিন্তু হাসিনার কাছ থেকে বিপিএম, পিপিএম (বার পদক পাওয়া এক কর্মকর্তা। হাসিনার আমলে কারা পদক পেয়েছে সেটা কি বলতে হবে?
এই জহির মহারাজ কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেও কিন্ত পদক পেয়েছেন অতিরিক্ত আইজিপি গরু খামারি আওলাদ হোসেনের বদৌলতে। কি রাগ করলেন? গত দুই বছরে সারা দেশে পদায়ন ও বদলী বাণিজ্য করে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন এই আওলাদ আর জহির। আওয়ামী লীগ আমলে জহির ছিলেন বিতর্কিত ও সুবিধাভোগী অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মোঃ মোখলেছুর রহমানের স্টাফ অফিসার। পরে পুলিশের বিতর্কিত শীর্ষ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামের অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি) বছরের পর বছর রাজত্ব করেছেন। আওয়ামী আমলে পদকের ছড়াছড়ি ফ্যাসিবাদী সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রশ্নবিদ্ধ সহযোগিতার পুরস্কারস্বরূপ জহির ২০১৮, ২০১৯ এবং সবশেষ ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার হাত থেকে ‘বিপিএম’ ও ‘পিপিএম’ পদক লাভ করেন।
যখন সারা দেশের সাধারণ মানুষের ওপর পুলিশি নির্যাতন ও দমনপীড়ন চরম আকার ধারণ করেছিল, তখন মনিরুল ইসলামের সিন্ডিকেটে থেকে এসব বিতর্কিত পদক বাগিয়ে নেন তিনি। অথচ ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর বহু কর্মকর্তার পদক বাতিল করা হলেও আব্দুল্লাহ আল জহিরের পদক ও পদ বহাল তবিয়তে রয়েছে, যা পুলিশের ভেতরে ও বাইরে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। অতিরিক্ত আইজিপি এডমিন আওলাদ হোসেনের ভাই সেলিম আর কিছু ইন্সপেক্টরদের সাথে হাত মিলিয়ে বদলী বাণিজ্য করে যাচ্ছেন জহির। মহারাজকে স্টপ করুন।
মন্তব্য করুন