admin 1
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:০৩ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

বদলি-পদায়ন ঘিরে প্রশ্ন, গ্রেপ্তার-বাণিজ্যের অভিযোগ, নেত্রকোনা সদর মডেল থানায় ওসি আবুল খায়েরকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: নেত্রকোনা সদর মডেল থানাকে ঘিরে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়েরের দীর্ঘদিনের কর্মস্থল, বদলি-পদায়ন প্রক্রিয়া, কথিত আর্থিক লেনদেন ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগের পাশাপাশি থানার সাবেক রাইটার হিসেবে পরিচিত পিয়াস নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে গ্রেপ্তার ও মামলা সংক্রান্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, এসব বিষয় নিছক ব্যক্তিগত অভিযোগ নয়; পুলিশ কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিনের পোস্টিং, বদলি-পদায়নের স্বচ্ছতা এবং মামলা-গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে কথিত অর্থ লেনদেনের বিষয়গুলো জনস্বার্থে তদন্ত করা প্রয়োজন।তবে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সবগুলোর স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি, সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে এসব অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

১৭ বছর ধরে ময়মনসিংহের বিভিন্ন থানায়: প্রাপ্ত অভিযোগ ও তথ্যানুযায়ী, পুলিশ কর্মকর্তা আবুল খায়ের দীর্ঘ সময় ধরে ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন থানায় দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে তারাকান্দা, ফুলপুর ও হালুয়াঘাট থানায় বিভিন্ন সময়ে তার কর্মরত থাকার কথা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, প্রায় ১৭ বছরের চাকরিজীবনে একই জেলার বিভিন্ন থানায় দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

তাদের আরও অভিযোগ, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য শরীফ আহমেদের রাজনৈতিক প্রভাববলয়ের কারণে আবুল খায়ের ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন থানায় দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছেন।তবে এ অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো নথি বা প্রমাণ প্রতিবেদনের সঙ্গে উপস্থাপিত হয়নি। ফলে বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য তার দীর্ঘ সময়ের পোস্টিং রেকর্ড ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক নথি পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

হালুয়াঘাট থেকে এপিবিএন, কয়েক মাস পর নেত্রকোনা: 

অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই-পরবর্তী সময়ে আবুল খায়ের পুনরায় হালুয়াঘাট থানায় দায়িত্ব পালন করেন এবং সেখানে আনুমানিক এক বছর অবস্থান করেন।এরপর তাকে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) বদলি করা হয়। সেখানে কয়েক মাস দায়িত্ব পালনের পর তাকে নেত্রকোনা সদর মডেল থানায় পদায়ন করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন। এভাবে এক কর্মস্থল থেকে আরেক কর্মস্থলে বদলি ও পদায়নের পেছনে প্রশাসনিক কারণ কী ছিল, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হয়েছে এবং প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর সরকারি নথি পর্যালোচনার মাধ্যমে বের করা সম্ভব বলে মনে করছেন অভিযোগকারীরা।

পদায়নে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ

আবুল খায়েরের নেত্রকোনা সদর মডেল থানায় পদায়নকে ঘিরে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কাঙ্ক্ষিত কর্মস্থলে পদায়নের ক্ষেত্রে বড় অঙ্কের অর্থের লেনদেন এবং প্রভাব খাটানোর ঘটনা থাকতে পারে।তবে অভিযোগটির পক্ষে নির্দিষ্ট আর্থিক লেনদেনের নথি বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি। তাই অভিযোগটি সত্য কি না, তা নির্ধারণে আইনানুগ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

সাবেক রাইটার পিয়াসকে ঘিরে ‘গ্রেপ্তার-বাণিজ্যের’ অভিযোগ

আবুল খায়েরকে ঘিরে অভিযোগের পাশাপাশি পিয়াস নামে এক ব্যক্তিকে নিয়েও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, পিয়াস একসময় নেত্রকোনা সদর মডেল থানায় রাইটার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে গ্রেপ্তার ও মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে অর্থ আদায়ের জন্য মধ্যস্থতা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কাউকে গ্রেপ্তার করা, গ্রেপ্তার থেকে রেহাই দেওয়া কিংবা মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবি করা হচ্ছে। এভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

প্রশ্ন উঠছে—পিয়াসের প্রভাবের উৎস কোথায়?

অভিযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, পিয়াস বর্তমানে কোনো সরকারি পদে থাকলে বা না থাকলে থানার কার্যক্রমের সঙ্গে তার যোগাযোগের ধরন কী। অভিযোগকারীদের দাবি, সাবেক রাইটার হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তৈরি হওয়া যোগাযোগ ব্যবহার করে তিনি এখনো থানার কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং সেই যোগাযোগের মাধ্যমে মামলা ও গ্রেপ্তার সংক্রান্ত বিষয়ে মধ্যস্থতা করছেন।এ অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে পিয়াস বর্তমানে থানার কোনো সরকারি বা অনুমোদিত দায়িত্বে আছেন কি না, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার যোগাযোগের প্রকৃতি কী এবং কোনো নির্দিষ্ট ঘটনায় তিনি অর্থ দাবি করেছেন কি না—এসব বিষয় তদন্ত করা প্রয়োজন।

‘লাখ লাখ টাকা’ আদায়ের অভিযোগ, প্রমাণ কোথায়?

অভিযোগকারীরা দাবি করছেন, গ্রেপ্তার ও মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে পিয়াসের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আদায় করা হচ্ছে।তবে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে অভিযোগের পাশাপাশি প্রমাণও গুরুত্বপূর্ণ। কার কাছ থেকে কত টাকা দাবি করা হয়েছে, কখন ও কোথায় দাবি করা হয়েছে, টাকা দেওয়া হয়ে থাকলে কীভাবে দেওয়া হয়েছে—এসব তথ্যের সঙ্গে ফোনকল, মেসেজ, অডিও, ভিডিও, ব্যাংক লেনদেন বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের রেকর্ড মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।নির্দিষ্ট ভুক্তভোগীর বক্তব্য পাওয়া গেলে অভিযোগটির প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হতে পারে।

থানার নথিতে কি মিলবে অভিযোগের সূত্র?

অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে নেত্রকোনা সদর মডেল থানার সরকারি নথিও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ের মামলা, গ্রেপ্তার, রিমান্ড, জামিন এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের দায়িত্বের তথ্য পর্যালোচনা করে অভিযোগে উল্লিখিত ঘটনাগুলোর সঙ্গে কোনো অসঙ্গতি বা অস্বাভাবিকতা রয়েছে কি না তা দেখা যেতে পারে। একই সঙ্গে কথিত ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করে তাদের বক্তব্য গ্রহণ এবং তাদের কাছে থাকা প্রমাণ পরীক্ষা করার দাবি উঠেছে।

এসআই নিরুপম নাগকে নিয়েও অভিযোগ

এদিকে ময়মনসিংহ রেঞ্জের অধীন কর্মরত এসআই নিরুপম নাগের বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা এবং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, নিরুপম নাগ দীর্ঘদিন কোতোয়ালি মডেল থানায় এসআই হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই সময়ে বিএনপির মিছিল ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া এবং নেতাকর্মীদের মারধরের মতো ঘটনার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, বর্তমানে তিনি জামালপুর জেলায় কর্মরত রয়েছেন এবং ৫ আগস্টের পর ব্যাপক বদলি-পদায়ন হলেও তার বদলি হয়নি।তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা হয়নি। অভিযোগকারীদের কাছে থাকা কোনো ভিডিও, ছবি বা অন্যান্য প্রমাণ থাকলে সেগুলো যাচাই করা প্রয়োজন।

‘বদলি না হওয়ার’ কারণ কী?

নিরুপম নাগের কর্মস্থল ও বদলি-পদায়ন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তাদের প্রশ্ন, ব্যাপক বদলি-পদায়নের সময়ও তার কর্মস্থল অপরিবর্তিত থাকার প্রশাসনিক কারণ কী। এ বিষয়ে তার পোস্টিং ইতিহাস, বদলি আদেশ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের নথি পর্যালোচনা করলে বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে।

নিরপেক্ষ তদন্তই এখন মূল দাবি

অভিযোগকারীদের দাবি, কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক পক্ষের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা নয়, বরং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও নথিভিত্তিক তদন্ত হওয়া উচিত।

তারা বিশেষভাবে দাবি জানিয়েছেন—

– আবুল খায়েরের গত প্রায় ১৭ বছরের পোস্টিং ও বদলি রেকর্ড পরীক্ষা;
– একই জেলার বিভিন্ন থানায় দীর্ঘদিন থাকার প্রশাসনিক কারণ যাচাই;
– হালুয়াঘাট–এপিবিএন–নেত্রকোনা পদায়নের নথি পরীক্ষা;
– সর্বশেষ পদায়নে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তদন্ত;
– কথিত রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ যাচাই;
– পিয়াসের মাধ্যমে কথিত গ্রেপ্তার-বাণিজ্যের অভিযোগ তদন্ত;
– নিরুপম নাগের দীর্ঘদিনের পোস্টিং ও বদলি প্রক্রিয়া পরীক্ষা;
– এবং অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ভিডিও, অডিও, নথি ও ভুক্তভোগীদের বক্তব্য যাচাই।

অভিযোগ সত্য হলে ব্যবস্থা, মিথ্যা হলে অবসান হোক প্রশ্নের

অভিযোগকারীদের মতে, তদন্তে কোনো অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন ও বিভাগীয় বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আর অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সেটিও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।কারণ, পুলিশ প্রশাসনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে বদলি-পদায়ন কিংবা মামলা ও গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তার দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত জনআস্থা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়ার অপেক্ষা: এসব অভিযোগের বিষয়ে ওসি আবুল খায়ের, পিয়াস, এসআই নিরুপম নাগ এবং সংশ্লিষ্ট জেলা ও রেঞ্জ পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য জানা জরুরি।তাদের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্যতা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত আর্থিক লেনদেন, রাজনৈতিক প্রভাব, গ্রেপ্তার-বাণিজ্য ও অসদাচরণের বিষয়গুলো অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে; এগুলো প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিবেচিত নয়।

মন্তব্য করুন

[wpdevart_facebook_comment curent_url="https://deshreport24.com/archives/7746" order_type="social" title_text="" title_text_color="#000000" title_text_font_size="22" title_text_font_famely="monospace" title_text_position="left" width="100%" bg_color="#d4d4d4" animation_effect="random" count_of_comments="3" ]
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান ১ দিনের রিমান্ডে

১

শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনীতিই গড়ে তুলতে পারে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

২

এন্টি টেররিজম ইউনিটের নতুন পরিচয় ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’

৩

ডেল্টা লাইফের পৌনে ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও জালিয়াতি: আইন উপদেষ্টা ঝালকাঠী’র মোঃ মাহবুব আলম খানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা

৪

মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে সংঘর্ষ, সিটি করপোরেশনের গাড়িতে আগুন

৫

চিরিংগা হাইওয়ে ওসির বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও টোকেন বাণিজ্য: প্রতিবাদে শ্রমিকদের মানববন্ধন, দম্ভোক্তি ‘উর্ধ্বতনদের টাকা দিয়ে সব ম্যানেজ করি’

৬

ঘুষ ছাড়া নড়ে না ফাইল: আকুয়া ভূমি অফিসে হাশেমের রাজত্ব, জিম্মি সেবাগ্রহীতারা!

৭

‘খুব শিগগিরই’ শেষ হতে যাচ্ছে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্প

৮

মাথার ওপর ঝুলছে মরিচা ধরা রড, ছাদ থেকে খসে পড়ছে পলেস্তারা: চরম মৃত্যুঝুঁকিতে নকলা থানার পুলিশ সদস্যরা

৯

ময়মনসিংহে ট্রাফিক বিভাগের প্রসিকিউশন মুন্সি কনস্টেবল ফারুকের বিরুদ্ধে বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্য ও চালকদের চরম হয়রানির অভিযোগ

১০

জীবনের হিসাব থেকে মুছে যাওয়া গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের সাড়ে ১৭টি বছর

১১

ঘুষে পোস্টিং ও জ্বালানি কেলেঙ্কারির অভিযোগে হাইওয়ে পুলিশের ইন্সপেক্টর মাহবুবুল

১২

রাড্ডায় হামলা-লুটপাট, ওসি প্রত্যাহার

১৩

ঈশ্বরগঞ্জে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

১৪

জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক, আ.লীগের শতাধিক নেতাকর্মী আটক

১৫

ফ্যাসিবাদের দোসরদের গ্রেপ্তার করলে পুলিশকে পুরস্কৃত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৬

পাহাড়ে অধিকারবঞ্চনার বহুমাত্রিক ফাঁদ: পরিবহন থেকে পানি সবখানেই আদিবাসীদের বাদ রাখার প্রশাসনিক কৌশল

১৭

ক্রসফায়ার ও জুলাই গণহত্যার রূপকার এডিসি জাহাঙ্গীর ও এসি মাসুম: একজন পালালেও অন্যজন বহাল তবিয়তে

১৮

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে সংঘর্ষে নিহত ২

১৯

হবিগঞ্জে মাদকসহ তিনজন আটক

২০