বিশেষ প্রতিনিধি: মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়া ইউনিয়নের ফরাজি কান্দি গ্রামের মৃত মঙ্গলের ছেলে মমিন প্রধান। এলাকায় তার পরিচিতি কোটিপতি হিসাবে । নিজ গ্রামে নির্মান করেছে বিলাস বহুল বাড়ি, যার বর্তমান বাজার মুল্য নুন্যতম দশ কোটি । আছে ড্রেজার ও বাল্কহেড।বাড়ির পাশেই রয়েছে বিশাল বালিরগদি। ব্যবসা রয়েছে চট্টগ্রাম ও মালেশিয়াতে। বর্তমানে তিনি বেশির ভাগ সময়ে মালেশিয়াতে কাটেন। ভাই, ভাতিজাদের নিয়ে এলাকা গঠন করেছে একটি শক্তিশালী সন্ত্রাসী বাহিনী । নিয়ন্ত্রণ করছে মাদক সিন্ডিকেটও।
স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে মমিন প্রধান আওয়ামীলীগের সক্রিয় রাজনীতির সাথে জড়িত। ছিলাম আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের উপজেলার শীর্ষ নেতা। আওয়ামীলীগের সরকারের আমলে পুরোটা সময় বাউশিয়া ইউনিয়নের অধিকাংশ শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা বানিজ্যের নিয়ন্ত্রক ছিলেন এই মমিন প্রধান। বিশেষ করে ভূমিদস্যু হিসাবে রয়েছে তার এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি । বিগত সময়ে আওয়ামীলীগের সাংসদ ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেফায়েত উল্লাহ খান তোতার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ভূমিদস্যুতায় স্বর্গরাজ্য তৈরি করেছিল এই মমিন প্রধান৷ শুধু তাই নয় সাবেক
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সহোদর ছিল তার ব্যবসায়িক পার্টনারও। চরবাউশিয়া আব্দুল মোনায়েম অর্থনৈতিক জোনের জমি কেনা থেকে শুরু করে বালিভরাট এবং কনেকষ্টাশনের সকল কিছুর নিয়ন্ত্রণ ছিল এই মমিন প্রধান । এই সুযোগে স্থানীয়দের শতশত বিঘা জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে ।
এদিকে আওয়ামিলীগ সরকারের পতন হলেও এখনো বহাল তবিয়তে ভূমিদস্যু মমিন। মোনায়েম অর্থনৈতিক জোনের হোন্ডা কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ এখনো তার হাতে। এখান থেকে প্রতিমাসে আড়াই লাখ টাকা চাঁদা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে । পরবর্তী পর্বে থাকছে মমিন প্রধানের বিভিন্ন অনিয়মের বিশদ খতিয়ান ।
মন্তব্য করুন