সাংবাদিকের লিখিত অভিযোগ: জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তদন্ত দাবি
দুদকে বিস্ফোরক অভিযোগ: দুই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের পর জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তদন্ত দাবি
বিশেষ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জ পৌরসভার তেঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দানুরুল হক এর ছেল জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অবৈধ সম্পদ অর্জন, সরকারি সম্পদের অপব্যবহার, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন সাংবাদিক মো. কাওছার জামিল।
জানা গেছে, অভিযোগকারী সাংবাদিক মো. কাওছার জামিল দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগগুলোর বিষয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহ করেন। সেই অনুসন্ধানের ভিত্তিতে জাতীয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম দৈনিক দেশ রিপোর্ট২৪-এ জিয়াউল হককে ঘিরে দুটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদন দুটি প্রকাশের পর বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। এরপর সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত ও অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি দুদক চেয়ারম্যানের কাছে আনুষ্ঠানিক লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, জিয়াউল হক দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি এবং সরকারি সুবিধার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তার দৃশ্যমান সম্পদ ও জীবনযাত্রার সঙ্গে বৈধ আয়ের উৎসের অসঙ্গতি রয়েছে, যা তদন্তের দাবি রাখে। লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার, সরকারি সম্পদের অপব্যবহার এবং ক্ষমতার অপপ্রয়োগের মাধ্যমে ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এসব বিষয়ে তার আর্থিক লেনদেন, সম্পদের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে।অভিযোগকারী সাংবাদিক মো. কাওছার জামিল বলেন, “দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে আমি দীর্ঘ সময় ধরে অনুসন্ধান করেছি। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও নথিপত্র সংগ্রহের পর বিষয়টি জনস্বার্থে সংবাদ আকারে প্রকাশ করা হয়।
পরবর্তীতে সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত দুদকে জমা দিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের আবেদন করেছি। আমি আশা করি, দুদক অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সত্যতা উদঘাটন করবে এবং প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জিয়াউল হকের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে। উল্লেখ্য, অভিযোগে উত্থাপিত বিষয়গুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং এ বিষয়ে দুদকের তদন্তও এখনো সম্পন্ন হয়নি।
মন্তব্য করুন