নিজস্ব প্রতিবেদক: একসময় প্রকাশ্যে শেখ হাসিনাকে ‘মা’ সম্বোধন করা, তার জন্য নোবেল পুরস্কার কামনা করা এবং আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা এডিসি মো. মাসুদ রানাকে এখন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদের স্টাফ অফিসারের দায়িত্বে দেখা যাচ্ছে।
ডিএমপির এই পদটিতে বসে পুলিশের অতি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিভিন্ন তথ্য হাসিনা পলাতক কর্মকর্তাদের কাছে পাচারের অভিযোগ উঠেছে মাসুদ রানার বিরুদ্ধে।
অভিযোগ রয়েছে, ঝালকাঠি জেলা পুলিশে কর্মরত থাকাকালে তিনি বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত ভূমিকা পালন করেছিলেন। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি পুরস্কৃতও হয়েছেন বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে। তাছাড়া জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দেলন দমনে বেশ সক্রিয় ছিলেন। ছিলেন সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজিরের অনুসারী!
প্রশ্ন হলো, অতীতের রাজনৈতিক আনুগত্য ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ থাকা এসব কর্মকর্তাদের বিষয়ে কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়ন করছে কি সরকার? একইসঙ্গে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে কি জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা হচ্ছে?
মন্তব্য করুন