admin 1
১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

আগামী মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে জনগণের ভাবনা ও প্রত্যাশা

রাজনৈতিক পালাবদলের প্রেক্ষাপটে নতুন সরকার ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা বেড়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাওয়ার পর দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের আলোচনা চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। তবে কেবল সরকার গঠন নয়, নতুন মন্ত্রিপরিষদ কেমন হবে এবং তারা কীভাবে দেশ পরিচালনা করবে, তা নিয়েই সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও প্রত্যাশা বেশি।

রাজধানী ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন জেলার নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে যে চিত্র পাওয়া গেছে, তাতে একটি বিষয় স্পষ্ট-মানুষ পরিবর্তন চায়, কিন্তু সেটি যেন দৃশ্যমান ও বাস্তব হয়। তারা আর শুধু প্রতিশ্রুতি শুনতে রাজি নন, তারা ফলাফল ও বাস্তবায়ন দেখতে চান।তাদের সঙ্গে আলাপকালে বিগত সরকারের মন্ত্রিপরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষের কথা জানিয়েছেন অনেকে। অভিযোগ রয়েছে, নীতিনির্ধারণে সমন্বয়ের অভাব, বাজারের ঊর্ধ্বগতি, প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং দুর্নীতির প্রশ্নে দৃশ্যমান কঠোরতা না থাকার কারণে সাধারণ মানুষের আস্থা কমেছে।বিশ্লেষকদের মতে, অভিজ্ঞ ও তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে গঠিত মন্ত্রিসভা হলে নীতিনির্ধারণে গতি আসতে পারে। অর্থ, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দক্ষ নেতৃত্ব প্রয়োজন।জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা এবং নিয়মিত কর্মপরিকল্পনা প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনই হবে নতুন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ।মতিঝিলের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী রুবেল (৪০) বলেন, আমরা এমন মন্ত্রী চাই, যারা নিজেদের প্রচার নয়, অর্থনীতিকে গুরুত্ব দেবেন।ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক না থাকলে দেশ এগোবে না।

তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিই এখন সাধারণ মানুষের প্রধান উদ্বেগ। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর প্রত্যাশা-নতুন সরকার বাজার মনিটরিং জোরদার করবে, কৃষি ও উৎপাদন খাতে বাস্তবভিত্তিক সহায়তা দেবে এবং সিন্ডিকেট ভাঙতে কঠোর হবে।ঢাকার বাসাবোর এক গৃহিণী রোকাইয়া নাজনিন বলেন, আমরা রাজনীতি বুঝি না; মাসের বাজার করতে গিয়ে যেন হিমশিম না খেতে হয়, এইটাই প্রধান চাওয়া। এছাড়াও আমরা যাতে নিরাপদে, নির্বিঘ্নে রাস্তাঘাটে চলাচল করতে পারি এবং আমাদের ছেলে-মেয়েরা যাতে মাদকাসক্ত না হয়, সেজন্য কঠোর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চাই।চাকরি ও কর্মসংস্থানের বিষয়টিও বড় প্রত্যাশা হিসেবে উঠে এসেছে। তরুণরা চান শিল্পায়ন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সম্প্রসারণ এবং উদ্যোক্তা সহায়তা বাড়ুক।জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের এক শিক্ষার্থী হুমায়ন চাকলাদার বলেন, শুধু সরকারি চাকরির কথা বললে হবে না, বেসরকারি খাতেও কাজের সুযোগ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে মানুষ সৎ ও দক্ষ ব্যক্তিদের মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়।

তার মতে, যিনি যে খাতে অভিজ্ঞ, তাকে সেই খাতের দায়িত্ব দিলে সিদ্ধান্ত দ্রুত ও কার্যকর হবে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের সমন্বয়ে গঠিত মন্ত্রিসভা নীতিনির্ধারণে গতিশীলতা আনতে পারে।জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার প্রশ্নে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এখন আগের চেয়ে বেশি।দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানকে কার্যকর করতে স্বাধীন সংস্থাগুলোর শক্তিশালী ভূমিকা নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে জনগণকে অবহিত করা প্রয়োজন। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া যত বেশি উন্মুক্ত হবে, সরকারের প্রতি আস্থাও তত বাড়বে।

আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মোবাশ্বের হোসেন টুটুল মনে করেন, মানুষের প্রত্যাশা-সুশাসন, অর্থনৈতিক মুক্তি, মানবাধিকার সুরক্ষা এবং দুর্নীতিমুক্ত স্থিতিশীল বাংলাদেশ। এই লক্ষ্যে বিএনপির রাষ্ট্র পরিচালনার অতীত অভিজ্ঞতা ও দলীয় নির্বাচনী ওয়াদা পূরণের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী যাকে যে মন্ত্রণালয়ের জন্য যোগ্য মনে করবেন, সেই ভাবেই তিনি মন্ত্রিপরিষদ সাজাবেন।

একইভাবে ভেঙে পড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুনর্গঠন করে আইনের শাসনের প্রতি জনমনে আস্থা ফিরিয়ে আনার দিকটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফ্যাসিবাদী আমলে ভেঙে পড়া সামরিক ও বেসামরিক আমলাতন্ত্রকে ঢেলে সাজিয়ে সরকারি সেবার মান জনগণের দোরগোড়ায় ঝামেলাহীনভাবে পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা ও বিবেচনাও নিতে হবে।মন্ত্রীসভা গঠনের ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।তিনি বলেন, তারেক রহমান দীর্ঘদিন খুব কাছ থেকে তার মা বেগম জিয়ার সরকার গঠন ও পরিচালনা প্রক্রিয়া অবলোকন করে যে অভিজ্ঞতা নিয়েছেন, আশা করা যায় সেই অভিজ্ঞতার একটি প্রতিফলন দেখা যাবে তার মন্ত্রীসভা তৈরির মাধ্যমে।

তার মতে, দীর্ঘদিন বিদেশে থাকায় তিনি উন্নত বিশ্বের অনেক ধারণা বাংলাদেশে প্রবর্তনের একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞদের পাশাপাশি অনেক নতুন মুখও যুক্ত হতে পারেন মন্ত্রীসভায়।যেহেতু মন্ত্রীসভা গঠন একান্তই প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব ইচ্ছার প্রতিফলন, সেক্ষেত্রে ব্যক্তির নাম ঘোষণা হওয়ার আগ পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তালিকা প্রকাশ করা দলের প্রতি সুবিচার হিসেবে বিবেচিত হয় না।এছাড়াও বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিন পর রক্তস্নাত গণতান্ত্রিক যাত্রাকে তারেক রহমান সম্মানের সঙ্গে সমুন্নত রাখবেন এবং মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।

আরেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক খালিদ হোসেনের মতে, দীর্ঘ সময় পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করতে যাচ্ছে, যা শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক মুহূর্ত।জনগণ এখন মুখোমুখি সংঘাত বা প্রতিদ্বন্দ্বিতার রাজনীতি নয়, বরং সংস্কার, পুনর্গঠন এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার স্পষ্ট বার্তা প্রত্যাশা করছে।তার মতে, অর্থ মন্ত্রণালয়ে এমন নেতৃত্ব প্রয়োজন, যিনি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে বিশ্বাসযোগ্য ও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনের শাসন, মানবাধিকার ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত ও দক্ষ নেতৃত্ব জরুরি। একই সঙ্গে বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্যপূর্ণ ও বাস্তববাদী কূটনীতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।তিনি আরও বলেন, নতুন মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তরুণ ও নারী নেতৃত্বের দৃশ্যমান ও কার্যকর অন্তর্ভুক্তি সময়োপযোগী বার্তা দেবে।জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে জবাবদিহিতা ও সুশাসনের প্রতিফলন ঘটাতে পারলে নতুন সরকার একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতির ভিত্তি স্থাপন করতে সক্ষম হবে বলে মনে করেন এই বিশ্লেষক।

নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এইচ এম আমজাদ হোসেন মোল্লা বলেন, এমন একটি মন্ত্রিপরিষদ হওয়া দরকার, যেখানে তরুণ-প্রবীণের মিশ্রণ থাকবে। যোগ্য ও সৎ ব্যক্তিরা স্থান পাবেন, যাদের বিগত দিনে কোনো কেলেঙ্কারির সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকবে না। দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদাকে মূল্যায়ন করে দল-মত নির্বিশেষে কাজ করতে হবে।

একজন সাধারণ নাগরিক ও গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে আহসান হাবিব বলেন, এমন একটি মন্ত্রিসভা দেখতে চাই, যা জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে আন্তরিক ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে শাসনব্যবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে সুশৃঙ্খল ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।তিনি মনে করেন, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন সরকার যেন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে কাজ করে-এটাই প্রত্যাশা। নতুন ও প্রবীণদের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ মন্ত্রিসভা হলে অভিজ্ঞতা ও উদ্যম-দুই-ই কাজে লাগবে।স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোতে সচেতন, বিবেকবান ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব থাকা জরুরি।সর্বোপরি, আইনশৃঙ্খলা ও নীতিনির্ধারণে শৃঙ্খলা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করাই নতুন মন্ত্রিসভার প্রধান অঙ্গীকার হওয়া উচিত।

ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল পরিবেশ জরুরি বলে মনে করছেন কয়েকজন উদ্যোক্তা। তারা চান, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বদলে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে উঠুক।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন মন্ত্রীপরিষদের জন্য এটি হবে আস্থার পরীক্ষা। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ, প্রথম ১০০ দিনের কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ এবং তার অগ্রগতি নিয়মিত জানানো গেলে ইতিবাচক বার্তা যাবে।জনগণ এখন দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, দৈনন্দিন জীবনে স্বস্তি চায়।সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা জটিল নয়-দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে দৃশ্যমান উন্নয়ন এবং স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ।রাজনৈতিক পালাবদলের প্রেক্ষাপটে দেশের মানুষ এবার কার্যকর, সৎ ও জবাবদিহিমূলক মন্ত্রিপরিষদ দেখতে চান। প্রতিশ্রুতির চেয়ে বাস্তব ফলাফলই হবে নতুন সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নতুন মন্ত্রিসভা কতটা সফল হয়, সেটিই এখন সময়ের প্রশ্ন।

মন্তব্য করুন

[wpdevart_facebook_comment curent_url="https://deshreport24.com/archives/2689" order_type="social" title_text="" title_text_color="#000000" title_text_font_size="22" title_text_font_famely="monospace" title_text_position="left" width="100%" bg_color="#d4d4d4" animation_effect="random" count_of_comments="3" ]
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান ১ দিনের রিমান্ডে

১

শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনীতিই গড়ে তুলতে পারে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

২

এন্টি টেররিজম ইউনিটের নতুন পরিচয় ‘স্পেশাল রেসপন্স ইউনিট’

৩

ডেল্টা লাইফের পৌনে ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও জালিয়াতি: আইন উপদেষ্টা ঝালকাঠী’র মোঃ মাহবুব আলম খানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা

৪

মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে সংঘর্ষ, সিটি করপোরেশনের গাড়িতে আগুন

৫

চিরিংগা হাইওয়ে ওসির বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও টোকেন বাণিজ্য: প্রতিবাদে শ্রমিকদের মানববন্ধন, দম্ভোক্তি ‘উর্ধ্বতনদের টাকা দিয়ে সব ম্যানেজ করি’

৬

ঘুষ ছাড়া নড়ে না ফাইল: আকুয়া ভূমি অফিসে হাশেমের রাজত্ব, জিম্মি সেবাগ্রহীতারা!

৭

‘খুব শিগগিরই’ শেষ হতে যাচ্ছে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্প

৮

মাথার ওপর ঝুলছে মরিচা ধরা রড, ছাদ থেকে খসে পড়ছে পলেস্তারা: চরম মৃত্যুঝুঁকিতে নকলা থানার পুলিশ সদস্যরা

৯

ময়মনসিংহে ট্রাফিক বিভাগের প্রসিকিউশন মুন্সি কনস্টেবল ফারুকের বিরুদ্ধে বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্য ও চালকদের চরম হয়রানির অভিযোগ

১০

জীবনের হিসাব থেকে মুছে যাওয়া গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের সাড়ে ১৭টি বছর

১১

ঘুষে পোস্টিং ও জ্বালানি কেলেঙ্কারির অভিযোগে হাইওয়ে পুলিশের ইন্সপেক্টর মাহবুবুল

১২

রাড্ডায় হামলা-লুটপাট, ওসি প্রত্যাহার

১৩

ঈশ্বরগঞ্জে অনলাইন জুয়ার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

১৪

জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক, আ.লীগের শতাধিক নেতাকর্মী আটক

১৫

ফ্যাসিবাদের দোসরদের গ্রেপ্তার করলে পুলিশকে পুরস্কৃত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৬

পাহাড়ে অধিকারবঞ্চনার বহুমাত্রিক ফাঁদ: পরিবহন থেকে পানি সবখানেই আদিবাসীদের বাদ রাখার প্রশাসনিক কৌশল

১৭

ক্রসফায়ার ও জুলাই গণহত্যার রূপকার এডিসি জাহাঙ্গীর ও এসি মাসুম: একজন পালালেও অন্যজন বহাল তবিয়তে

১৮

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে সংঘর্ষে নিহত ২

১৯

হবিগঞ্জে মাদকসহ তিনজন আটক

২০