শহিদুল ইসলাম,স্টাফ রিপোর্টার : প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নুর মোহাম্মদ সামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, একটি কুচক্রিমহল পরিকল্পিতভাবে এসব সংবাদ ছড়িয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, মাঠপর্যায়ে কর্মরত কিছু অসাধু ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ এবং নারী সহকর্মীদের হয়রানির মতো অভিযোগে জড়িত ছিলেন। এসব বিষয়ে সরকার ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার শুরু করে।
সূত্র জানায়, এই চক্রটি মহাপরিচালকের মানসম্মান ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি তাকে পদ থেকে অপসারণের দাবিও তুলছে। অভিযোগ রয়েছে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও কিছু সুবিধাভোগী ও প্রভাবশালী মহল প্রশাসনের ভেতরে থেকে কালো শক্তির প্রভাবে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। নিজেদের অনিয়ম আড়াল করতেই তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও কিছু দৈনিক পত্রিকায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ সরবরাহ করছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন উপজেলায় অনুসন্ধান চালিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলা হলে তারা মহাপরিচালকের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। শিক্ষকদের ভাষ্যমতে ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে আবু নুর মোহাম্মদ সামসুজ্জামান মহাপরিচালক হিসেবে যোগদানের পর প্রাথমিক শিক্ষায় দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। নতুন নতুন দৃষ্টিনন্দন প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা জোরদারে তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখছেন।
একাধিক শিক্ষক জানান মহাপরিচালক অত্যন্ত সহজ-সরল ও সাধারণ মানুষের মতো আচরণ করেন। অফিসিয়াল যে কোনো সমস্যায় তিনি শিক্ষক-কর্মচারীদের সন্তানসুলভ স্নেহে সহযোগিতা করেন। তারা তাকে নির্লোভ সৎ কর্মঠ ও পরিশ্রমী একজন প্রশাসক হিসেবে উল্লেখ করেন। উল্লেখ্য আবু নুর মোহাম্মদ সামসুজ্জামান ১৮তম বিসিএস ক্যাডারের একজন কর্মকর্তা। তিনি রংপুর জেলার একটি মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
এ বিষয়ে মহাপরিচালক আবু নুর মোহাম্মদ সামসুজ্জামান বলেন আমি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মর্যাদা ও সুনাম রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিছু কুচক্রিমহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছেএ বিষয়ে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহল অবগত রয়েছে। তিনি আরও বলেন যারা পরিকল্পিতভাবে আমার মানসম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে, তাদের প্রতি আমি আবারও সতর্কবার্তা দিচ্ছি। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
মন্তব্য করুন