কামরুল ইসলাম রিপন,ঝিনাইদহ থেকে ফিরে: ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মজিদ ও আছাদুজ্জামানের সঙ্গে কথিত ব্যবসায়িক সম্পর্কই এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে সংশ্লিষ্টদের জন্য। দীর্ঘদিন আড়ালে চলা এই ব্যবসায়িক যোগসূত্র প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা ও প্রশ্নের ঝড়।
স্থানীয়ভাবে অভিযোগ উঠেছে, ক্ষমতার ছত্রচ্ছায়ায় থেকে কিছু ব্যক্তি বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নাম ব্যবহার করে ব্যবসায়িক সুবিধা নিয়েছেন এবং প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করেছেন। এসব লেনদেন ও সম্পর্ক এখন আর গোপন নেই একটির পর একটি তথ্য ফাঁস হয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে উঠছে।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, এই ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং পুরো দলের ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে নেতৃত্বের নাম ব্যবহার করে ব্যবসা করা কতটা নৈতিক, তা নিয়েই উঠছে জোরালো প্রশ্ন।
রাজনৈতিক মহলের মন্তব্য, “যদি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়, তাহলে এটি নিছক ব্যক্তি নয় দলীয় শৃঙ্খলার বড় ধরনের ব্যর্থতার উদাহরণ হয়ে থাকবে।” এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত তদন্ত ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা না নিলে বিএনপির জন্য বিষয়টি আরও বিব্রতকর রূপ নিতে পারে। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মজিদ ও আছাদুজ্জামানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন